• বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

শোক সংবাদ

শোক সংবাদ

  আন্দোলন প্রতিবেদন  

শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি কমরেড খোকন ২৯ সেপ্টেম্বর ’২৫-এ রাজশাহী শহরে নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুর কিছু দিন আগে তার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়েছিল। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। 

ক. খোকনের জন্ম হয়েছিল ১৯৪৮ সালে ভারতের বিহারে পূর্ণিয়া জেলায়। ভারতবর্ষ ভাগের পর তার পিতা রাজশাহী চলে আসেন। রাজশাহী কোর্ট একাডেমিতে দশম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (মতিন-আলাউদ্দিন গ্রুপ)র সাথে সম্পর্কিত হন। তাদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি এসএসসি পরীক্ষার আগে তিনি কৃষক সংগঠন গড়ার লক্ষ্যে গ্রামে যান। কলেজে পড়ার সময় তিনি ছাত্র ইউনিয়নের মেনন গ্রুপের রাজশাহী শাখার সাথে মিটিং-মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন।’৭১-এ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে আত্রাই যাত্রা করেন। কিন্তু পূবাকপার সাথে মতপার্থক্যের কারণে তিনি যাত্রাপথেই বিচ্ছিন্ন হন। কিছু দিন ভাসানী ন্যাপের সমর্থক হিসেবে কাজ করেছেন। ’৭২ সালে মাওবাদকে ধারণ করে তিনি বিপ্লবী সংগ্রাম গড়ে তুলতে সক্রিয় হন। তিনি ৭০-এর দশকের প্রথম থেকে ৮০ দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত পেশাদার কর্মী হিসেবে শহরে শ্রমিক ও গ্রামে কৃষকদের সংগঠিত করার মাওবাদী বিপ্লবী অনুশীলনে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি গ্রেপ্তার হয়ে শত্রুর নির্যাতনে বিপ্লবী দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন।  

আশির দশকের শেষ দিকে তিনি ব্যক্তিগত জীবনে ফিরে গেলেও সর্বদাই তিনি মাওবাদী রাজনীতি চর্চা করেন এবং বিপ্লবী সংগঠন-সংগ্রামে সহযোগী ভূমিকা রাখেন। ৮০-দশক থেকে তিনি ‘বিপ্লবী শ্রমিক আন্দোলন’র সহযোগিতা করে আসছিলেন। ২০২৩ সালে নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার শাখা সম্মেলনে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানাই সমবেদনা।

শোক সংবাদ

 আন্দোলন প্রতিবেদন 
শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি কমরেড খোকন ২৯ সেপ্টেম্বর ’২৫-এ রাজশাহী শহরে নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুর কিছু দিন আগে তার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়েছিল। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। 

ক. খোকনের জন্ম হয়েছিল ১৯৪৮ সালে ভারতের বিহারে পূর্ণিয়া জেলায়। ভারতবর্ষ ভাগের পর তার পিতা রাজশাহী চলে আসেন। রাজশাহী কোর্ট একাডেমিতে দশম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (মতিন-আলাউদ্দিন গ্রুপ)র সাথে সম্পর্কিত হন। তাদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি এসএসসি পরীক্ষার আগে তিনি কৃষক সংগঠন গড়ার লক্ষ্যে গ্রামে যান। কলেজে পড়ার সময় তিনি ছাত্র ইউনিয়নের মেনন গ্রুপের রাজশাহী শাখার সাথে মিটিং-মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন।’৭১-এ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে আত্রাই যাত্রা করেন। কিন্তু পূবাকপার সাথে মতপার্থক্যের কারণে তিনি যাত্রাপথেই বিচ্ছিন্ন হন। কিছু দিন ভাসানী ন্যাপের সমর্থক হিসেবে কাজ করেছেন। ’৭২ সালে মাওবাদকে ধারণ করে তিনি বিপ্লবী সংগ্রাম গড়ে তুলতে সক্রিয় হন। তিনি ৭০-এর দশকের প্রথম থেকে ৮০ দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত পেশাদার কর্মী হিসেবে শহরে শ্রমিক ও গ্রামে কৃষকদের সংগঠিত করার মাওবাদী বিপ্লবী অনুশীলনে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি গ্রেপ্তার হয়ে শত্রুর নির্যাতনে বিপ্লবী দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন।  

আশির দশকের শেষ দিকে তিনি ব্যক্তিগত জীবনে ফিরে গেলেও সর্বদাই তিনি মাওবাদী রাজনীতি চর্চা করেন এবং বিপ্লবী সংগঠন-সংগ্রামে সহযোগী ভূমিকা রাখেন। ৮০-দশক থেকে তিনি ‘বিপ্লবী শ্রমিক আন্দোলন’র সহযোগিতা করে আসছিলেন। ২০২৩ সালে নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার শাখা সম্মেলনে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানাই সমবেদনা।

আরও খবর
 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র